
কক্সবাংলা ডটকম(২৫ ডিসেম্বর) :: দীর্ঘ সতেরো বছরের বেশি সময় যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার পর বাংলাদেশে ফিরেছেন দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা তারেক রহমান।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে তার দল বিএনপি ঢাকার পূর্বাচলে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের (তিনশ ফিট সড়ক) কাছে গণসংবর্ধনার আয়োজন করে। সেখানে মঞ্চে তিনি নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন।
ষাটোর্ধ তারেক রহমানের ১৫ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো:
“বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম”
“প্রিয় বাংলাদেশ, উপস্থিত প্রিয় মুরুব্বি বর্গ, মঞ্চে উপস্থিত জাতীয় নেতৃবৃন্দ, আমার সামনে উপস্থিত প্রিয় ভাই ও বোনেরা, এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যারা দেখছেন এই অনুষ্ঠান, প্রিয় ভাই-বোনেরা, প্রিয় মা বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম।”
“প্রিয় ভাই বোনেরা, আজ প্রথমেই আমি রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে হাজারো লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানাতে চাই, রাব্বুল আল-আমিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি, আপনাদের দোয়ায়, আপনাদের মাঝে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিমিয়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ৭৫-এ আবার ৭ই নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তীতে ৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল।
“কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ২০২৪ সালে, ৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ—কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দল-মত নির্বিশেষে শ্রেণি পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষ সেদিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চায় তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার পাবে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ আমাদের সময় এসেছে, সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এই দেশে একইভাবে সমতলের মানুষ আছে। এই দেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে।
“আমরা চাই, সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব আমরা, যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই, যে বাংলাদেশে একজন নারী, একজন পুরুষ, একজন শিশু, যে-ই হোক না কেন নিরাপদে ঘর … বের হলে নিরাপদে ইনশাল্লাহ ঘরে আবার ফিরে আসতে পারে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, এই দেশের জনসংখ্যা অর্ধেক নারী, চার কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, পাঁচ কোটির মতন শিশু, চল্লিশ লক্ষের মতন প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন। কয়েক কোটি কৃষক শ্রমিক রয়েছেন।
“এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে। এই মানুষগুলোর একটি আকাঙ্ক্ষা আছে এই দেশের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই, আজ আমরা সকলে যদি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, তাহলে আমরা এই লক্ষ কোটি মানুষের প্রত্যাশগুলো পূরণ করতে পারি ইনশাল্লাহ।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, ৭১ সালে আমাদের শহীদরা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন এই রকম একটি বাংলাদেশ গঠনের জন্য। বিগত ১৫ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে শত শত হাজারো গুম খুনের শিকার হয়েছে। শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য নয়, নিরীহ মানুষও প্রতিবাদ করতে গিয়ে অত্যাচার, নির্যাতনের শিকার হয়েছে, জীবন দিয়েছে।
“২০২৪ সাল—মাত্র সেদিনের ঘটনা, কীভাবে… আমরা দেখেছি, আমাদের তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা কীভাবে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে দেশের এই স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করা জন্য।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, কয়েকদিন আগে এই বাংলাদেশের ২৪-এর আন্দোলনের এক সাহসী, প্রজন্মের এক সাহসী সদস্য ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। ওসমান হাদি শহীদ হয়েছে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, ওসমান হাদি চেয়েছিল এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হোক। এই দেশের মানুষের তাদের গণতান্ত্রিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক।
“আজ ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন ওসমান হাদীসহ, একাত্তরে যারা শহীদ হয়েছেন, বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে খুন-গুমের শিকার হয়েছেন—এই মানুষগুলোর রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়—আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলব। যেখানে আমরা সকলে মিলে কাজ করব। যেখানে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলব।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, বিভিন্ন আধিপত্যবাদ শক্তির গুপ্তচরেরা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখনও লিপ্ত রয়েছে। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে।
“আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন, আপনারাই আগামী দিন দেশকে নেতৃত্ব দেবেন, দেশকে গড়ে তুলবেন। এই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে আজ গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে এই দেশকে আমরা সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি। শক্ত ভিত্তির ওপরে… গণতান্ত্রিক ভিত্তি… শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপরে যাতে এই দেশকে আমরা গড়ে তুলতে পারি।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আমার সাথে আজকে মঞ্চে এখানে বহু জাতীয় নেতৃবৃন্দ বসে আছেন। আসুন আজকে আমরা দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করে আল্লাহর রহমত আমরা চাই যে, যে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ এই মঞ্চে আছেন, মঞ্চের বাইরে যেসকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ আরও আছেন, আমরা সকলে মিলে এই দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে আমাদের বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত সেই বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই।
“আমাদেরকে যেকোনো মূল্যে… যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোনো উস্কানির মুখে আমাদেরকে ধীর, শান্ত থাকতে হবে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আমরা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই, আমরা দেশে শান্তি চাই।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, মার্টিন লুথার কিং—নাম শুনেছেন না আপনারা? নাম শুনেছেন তো আপনারা। মার্টিন লুথার কিং তার একটি বিখ্যাত ডায়লগ আছে ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’।
“আজ এই বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আপনাদের সকলের সামনে আমি বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনাদের সামনে বলতে চাই— ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান, ফর দ্য পিপল অফ মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি’।”
“আজ এই পরিকম্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য। যদি সেই প্ল্যান, সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়, প্রিয় ভাই ও বোনেরা এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, এই সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তি যত মানুষ উপস্থিত আছেন, প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে। প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমাদের লাগবে।”
“যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদেরকে সহযোগিতা করেন, ইনশাল্লাহ আমার ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব।”
“আসুন আমরা আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের দরবারে হাত তুলে প্রার্থনা করি—আমরা যেন হে রাব্বুল আল-আমিন, হে একমাত্র মালিক, হে একমাত্র অহমদ দানকারী, হে একমাত্র সাহায্যকারী—আজ আপনি যদি আমাদেরকে রহমত দেন তাহলে আমরা এই দেশের মানুষ কঠোর পরিশ্রম করার মাধ্যমে আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারব।”
“আজ যদি আল্লাহর রহমত এই দেশ এবং এই দেশের মানুষের পক্ষে থাকে, আল্লাহর সাহায্য, আল্লাহর দয়া এই দেশের মানুষের উপরে, এই দেশের মানুষের উপরে থাকে, ইনশাল্লাহ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে, ইনশাল্লাহ আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবে, আমরা সকলে নবী করিম (সা.)-এর যে ন্যায়পরায়নতা, সেই ন্যায়পরায়নতার আলোকে আমরা দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ আপনারা জানেন এখান থেকে আমি আমার মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে যাব। এই একটি মানুষ, যে মানুষটি এই দেশের মাটি, এই দেশের মানুষকে নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবেসেছেন। তার সাথে কী হয়েছে আপনারা প্রত্যেকটি মানুষ সে সম্পর্কে অবগত আছেন। সন্তান হিসেবে আপনাদের কাছে আমি চাইব আজ আল্লাহর দরবারে আপনারা দোয়া করবেন যাতে আল্লাহ আমাদের তৌফিক দেন, উনি যাতে সুস্থ হতে পারেন।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, সন্তান হিসেবে আমার মন মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু সেই মানুষটি যাদের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছে অর্থাৎ আপনারা- এই মানুষগুলোকে যাদের জন্য দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবন উৎসর্গ করেছেন, নিজের জীবন, সেই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না।
“সে জন্যই আজ হাসপাতালে যাওয়ার আগে আপনাদের প্রতি-সহ টেলিভিশনগুলোর মাধ্যমে যারা সমগ্র বাংলাদেশে আমাকে দেখছেন, আপনাদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য আজ আমি এখানে দাঁড়িয়েছি আপনাদের সামনে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আসুন আমাদেরকে আজ নিশ্চিত করতে হবে, আমরা যে ধর্মের মানুষ হই, যে শ্রেণির মানুষ হই, যে রাজনৈতিক দলেরই সদস্য হই, অথবা একজন নির্দলীয় ব্যক্তি হই, আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে- যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের এই দেশের শান্তি-শৃংখলাকে ধরে রাখতে হবে। যেকোনো মূল্যে বিশৃংখলাকে পরিত্যাগ করতে হবে। যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক, যেকোনো শ্রেণি, যেকোনো পেশা, যেকোনো ধর্মের মানুষ, যেন নিরাপদ থাকে- এই হোক আমাদের চাওয়া আজকে।”
“প্রিয় ভাই-বোনেরা, আজ আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই, সবাই মিলে করব কাজ… গড়ব মোদের বাংলাদেশ। ইনশাল্লাহ।”
“আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চেয়ে আবারো সকলকে যেকোনো মূল্যে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে, যেকোনো বিশৃংখলাকে পরিহার করে ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি।”
“আবারো আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাকে এভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ। আসসালামু আলাইকুম।”
লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৬ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ৩৬ মিনিটে) বাংলাদেশ বিমানে করে ঢাকার উদ্দেশে সপরিবারে যাত্রা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইট সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছেছে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টায়। এর পর বিমানবন্দরে আলিঙ্গনে-করমর্দনে তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।
ভিআইপি লাউঞ্জের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বাসে করে তারেক রহমান পৌঁছান জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ের (তিনশ ফিট সড়ক) কাছে সংবর্ধনার অনুষ্ঠানস্থলে। সেখানে মঞ্চে উঠে নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ করে তারেক রহমান তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেছেন। বসুন্ধরার এই হাসপাতালে গত ২৩ নভেম্বর থেকে ভর্তি আছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
এভারকেয়ার থেকে পরে তারেক রহমান যাবেন গুলশান অ্যাভেনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে। সেখানেই পরিবার নিয়ে থাকবেন তিনি।


Posted ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
coxbangla.com | Chanchal Das Gupta